নিলয় রাজধানীর স্বনামধন্য একটি স্কুলের ছাত্র। অষ্টম শ্রেণীর সমাপনীতে ভালো
ফলাফল করার শর্ত হিসেবে প্রবাসী বড় ভাইয়ের কাছে বায়না ধরেছিল মুঠোফোন
দেয়ার। ভাই নাজমুল হাসান প্রথমে আপত্তি জানালেও মা-বাবার কথামতো কিছু দিনের
মধ্যেই একটি মাল্টি-মিডিয়া ফোন সেট পাঠায়। এতেই পাল্টে যায় নিলয়। একাকী
থাকা তার ভারী পছন্দ। বিদ্যুত্ চলে যাওয়ার পরেও দমফাটা গরমে দরজা বন্ধ করে
ঘরে বসে থাকে। সারাক্ষণ কেমন অস্থির, চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ।
এ পরিবর্তন পরিবারের সদস্যরাও আঁচ করতে পারেন। আকাশ ভেঙে মাথায় পড়ার মতো স্কুলশিক্ষকরা জানান, পড়ালেখায় নিলয়ের আগের ধার নেই।
অমনোযোগিতার সঙ্গে যোগ হয়েছে স্কুল ফাঁকি দেয়া। এরপর মা-বাবা খোঁজ নিয়ে
জানতে পারেন ভয়ঙ্কর সব তথ্য। নিলয় সারাক্ষণ কক্ষ বন্ধ করে মুঠোফোনে পর্নো
ছবি দেখে, ফেসবুকে চ্যাট করে সময় নষ্ট করে। এতেই ফলাফল খারাপ হতে থাকে। তবে
এখানেই শেষ নয়। বাবা-মা ছেলের এই অধঃপতন বুঝতে পেরে মুঠোফোন সরিয়ে নিয়েও
থামাতে পারেননি। ফোন ছেড়ে এখন সে পাড়ার সাইবার ক্যাফেতে বসে অবাধে চালিয়ে
যাচ্ছে এসব পর্নোগ্রাফি ছবি দেখা................................