Pages

Showing posts with label Khela. Show all posts
Showing posts with label Khela. Show all posts

Sunday, March 22, 2015

রুবেলের সেই নো বলটি সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি

http://www.jjdin.com/admin/news_images/1138/image_1138_171631.jpg
ওয়েবসাইটপেসার

রুবেল হোসেনের করা ৪০তম ওভারের চতুর্থ ('নো' বল) বলটিকে ট্রাজেক্টরি ভিউ থেকে সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। নিয়মানুযায়ী, আইসিসির ওয়েবসাইটে গেলে প্রতিটি ম্যাচের প্রতিটি ওভারের প্রতি বল ট্রাজেক্টরি ভিউতে দেখা যায়। ওখানে ওভার সিলেক্ট করেও সেই ওভারের বল দেখা যায়। তাছাড়া একটি বল কোথায় পিচ করে কোথায় গিয়েছে তাও জানা যায়।
শুধুমাত্র ব্যতিক্রম ঘটেছে টাইগার পেসার রুবেল হোসেনের করা সেই বিতর্কিত 'নো' বলের ক্ষেত্রে। ৪০তম ওভারের চতুর্থ বলটি 'নো' কল দেয় আম্পায়ার। তাই সেই ওভারে অতিরিক্ত একটি বল করানো হয়। কিন্তু বলের উচ্চতা জানার জন্য আইসিসির ওয়েবসাইটে গিয়ে ঐধশি-ঊুবতে ট্রাজেক্টরি ভিউ করলে দেখা যায়, সেই 'নো' বলটি সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। সেই ওভারের ১, ২, ৩, ৫, ৬, ৭ নাম্বার বল দেখা যায় কিন্তু ৪ নাম্বার ('নো' বল) বলটি দেখা যায় না।


<a href='http://orangebd.com/ads/www/delivery/ck.php?n=a0d63775&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://orangebd.com/ads/www/delivery/avw.php?zoneid=79&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a0d63775' border='0' alt='' /></a>
অপরদিকে অধিনায়ক মাশরাফির করা ৪২তম ওভারের একটি বল 'নো' বল বলে ঘোষণা দেয় আম্পায়ার এবং সেই ওভারের 'নো' বলসহ সাতটি বল ঠিকই ট্রাজেক্টরি ভিউতে আছে। কিন্তু নেই রুবেলের সেই 'নো' বলটি। বিতর্কিত সেই বলটি ট্রাজেক্টরি ভিউ থেকে সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। সূত্র: ওয়েবসাইট - See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=22-03-2015&type=single&pub_no=1138&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=8#sthash.0vBMdJmg.dpuf
বাংলাদেশ_ভারত কোয়ার্টার ফাইনালের সেই বিতর্কিত 'নো' বলটি। রুবেল হোসেনের এই ডেলিভারিতেই ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মাকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন আম্পায়াররা -ওয়েবসাইটপেসার রুবেল হোসেনের করা ৪০তম ওভারের চতুর্থ ('নো' বল) বলটিকে ট্রাজেক্টরি ভিউ থেকে সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। নিয়মানুযায়ী, আইসিসির ওয়েবসাইটে গেলে প্রতিটি ম্যাচের প্রতিটি ওভারের প্রতি বল ট্রাজেক্টরি ভিউতে দেখা যায়। ওখানে ওভার সিলেক্ট করেও সেই ওভারের বল দেখা যায়। তাছাড়া একটি বল কোথায় পিচ করে কোথায় গিয়েছে তাও জানা যায়।
শুধুমাত্র ব্যতিক্রম ঘটেছে টাইগার পেসার রুবেল হোসেনের করা সেই বিতর্কিত 'নো' বলের ক্ষেত্রে। ৪০তম ওভারের চতুর্থ বলটি 'নো' কল দেয় আম্পায়ার। তাই সেই ওভারে অতিরিক্ত একটি বল করানো হয়। কিন্তু বলের উচ্চতা জানার জন্য আইসিসির ওয়েবসাইটে গিয়ে ঐধশি-ঊুবতে ট্রাজেক্টরি ভিউ করলে দেখা যায়, সেই 'নো' বলটি সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। সেই ওভারের ১, ২, ৩, ৫, ৬, ৭ নাম্বার বল দেখা যায় কিন্তু ৪ নাম্বার ('নো' বল) বলটি দেখা যায় না।

<a href='http://orangebd.com/ads/www/delivery/ck.php?n=a0d63775&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://orangebd.com/ads/www/delivery/avw.php?zoneid=79&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a0d63775' border='0' alt='' /></a>
অপরদিকে অধিনায়ক মাশরাফির করা ৪২তম ওভারের একটি বল 'নো' বল বলে ঘোষণা দেয় আম্পায়ার এবং সেই ওভারের 'নো' বলসহ সাতটি বল ঠিকই ট্রাজেক্টরি ভিউতে আছে। কিন্তু নেই রুবেলের সেই 'নো' বলটি। বিতর্কিত সেই বলটি ট্রাজেক্টরি ভিউ থেকে সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। সূত্র: ওয়েবসাইট - See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=22-03-2015&type=single&pub_no=1138&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=8#sthash.0vBMdJmg.dpuf
বাংলাদেশ_ভারত কোয়ার্টার ফাইনালের সেই বিতর্কিত 'নো' বলটি। রুবেল হোসেনের এই ডেলিভারিতেই ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মাকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন আম্পায়াররা -ওয়েবসাইটপেসার রুবেল হোসেনের করা ৪০তম ওভারের চতুর্থ ('নো' বল) বলটিকে ট্রাজেক্টরি ভিউ থেকে সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। নিয়মানুযায়ী, আইসিসির ওয়েবসাইটে গেলে প্রতিটি ম্যাচের প্রতিটি ওভারের প্রতি বল ট্রাজেক্টরি ভিউতে দেখা যায়। ওখানে ওভার সিলেক্ট করেও সেই ওভারের বল দেখা যায়। তাছাড়া একটি বল কোথায় পিচ করে কোথায় গিয়েছে তাও জানা যায়।
শুধুমাত্র ব্যতিক্রম ঘটেছে টাইগার পেসার রুবেল হোসেনের করা সেই বিতর্কিত 'নো' বলের ক্ষেত্রে। ৪০তম ওভারের চতুর্থ বলটি 'নো' কল দেয় আম্পায়ার। তাই সেই ওভারে অতিরিক্ত একটি বল করানো হয়। কিন্তু বলের উচ্চতা জানার জন্য আইসিসির ওয়েবসাইটে গিয়ে ঐধশি-ঊুবতে ট্রাজেক্টরি ভিউ করলে দেখা যায়, সেই 'নো' বলটি সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। সেই ওভারের ১, ২, ৩, ৫, ৬, ৭ নাম্বার বল দেখা যায় কিন্তু ৪ নাম্বার ('নো' বল) বলটি দেখা যায় না।

<a href='http://orangebd.com/ads/www/delivery/ck.php?n=a0d63775&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://orangebd.com/ads/www/delivery/avw.php?zoneid=79&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a0d63775' border='0' alt='' /></a>
অপরদিকে অধিনায়ক মাশরাফির করা ৪২তম ওভারের একটি বল 'নো' বল বলে ঘোষণা দেয় আম্পায়ার এবং সেই ওভারের 'নো' বলসহ সাতটি বল ঠিকই ট্রাজেক্টরি ভিউতে আছে। কিন্তু নেই রুবেলের সেই 'নো' বলটি। বিতর্কিত সেই বলটি ট্রাজেক্টরি ভিউ থেকে সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। সূত্র: ওয়েবসাইট - See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=22-03-2015&type=single&pub_no=1138&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=8#sthash.0vBMdJmg.dpuf

Thursday, March 19, 2015

ক্লার্ককেও ফেরালেন রিয়াজ


ক্লার্ককেও ফেরালেন রিয়াজ

ঢাকা: পাকিস্তানের দেয়া ২১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা অস্ট্রেলিয়াকে শুরুতেই বিপদে ফেলে দিয়েছে পাকিস্তানি পেসাররা। মাত্র ৫৯ রানে ফিরেগেছন ৩ ব্যাটসম্যান। আর তার শুরু করেন সোহেল খান। লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলে ওপেনার অ্যারোন ফিঞ্চের উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি.............

ম্যান অব দ্য ম্যাচের তিন দাবিদার: ডেভিস, গৌল্ড, আলিম দার

Decrease font Enlarge font
‘ক্ল্যাসিক্যাল ম্যাচ’! নাকি  ‘গেম অব দ্য টুর্নামেন্ট’! বিশ্বকাপে ২৬ মার্চ কি দেখতে যাচ্ছে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড? সিডনি যাই দেখুক, বাংলাদেশ তার আর্বিভাব দিবসে শুধু-ই দর্শক!  হ্যাঁ, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি কে হচ্ছে, তা নির্ধারিত হবে স্যার ডনের শহরে অস্ট্রেলিয়া - পাকিস্তান ম্যাচে।

পাকিস্তান জিতে সিডনি গেলে, দুই প্রতিবেশীর লড়াই ক্ল্যাসিক্যাল পর্যায়ে পৌঁছাবে সেটা অনুমান করা  যায়। আর  ব্র্যাডম্যানের শহর থেকে জয় নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যদি সিডনি যায় এবং ভারতের মুখোমুখি হয়, তাহলে সেটা হতে পারে, ‘গেম অব দ্য টুর্নামেন্ট’.........................

Wednesday, March 18, 2015

চ্যাম্পিয়নদের সামনে ভয়হীন বাংলাদেশ








http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2015/03/18/pre.jpg/ALTERNATES/w620/PRE.jpg

Tuesday, March 17, 2015

বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের দুঃসংবাদ








 

http://www.famousnews24.com/images/myimages/news_picture_16433_tb.jpg
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনাল ম্যাচ যদি ড্র বা ম্যাচ বাতিল হয় তাহলে কী হবে? এমন প্রশ্ন শোনার পর কিছুটা হাতাশ হওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ সারা বিশ্বের ক্রিকেট প্রেমিরা এখন সময় গুনছে কখন কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে। তবে যাই বলি-না কেন প্রশ্নের উত্তর হবে গ্রুপ পর্বে যে দলগুলো ভালো  করেছে তাদের সেমিফাইনালের সুযোগ পাবে।


গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে সেরা আটটি দল কোয়ার্টার ফাইনাল স্তরে ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে। আর এই পর্যায় থেকে সব দলের ক্ষেত্রেই একেবারে 'কর নয় মর' পরিস্থিতি।

এই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে যদি বৃষ্টির কারণে খেলা বাতিল হয়ে যায় বা ম্যাচ ড্র হয়, সেক্ষেত্রে গ্রুপ স্তরে কোন দল এগিয়ে ছিল তার বিচারেই একটি দল টুর্নামেন্টের পরবর্তী পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাবে।

চলতি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ড্র হলে কী হবে? আইসিস-র বিবৃতি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের প্রথম পর্যায়ে যারা ভালো ফল করেছেন তারা এই ধরণের পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।

সে অনুযায়ী এখন যা পরিস্থিতি তাতে, নিউজিল্যান্ড (পুল এ-র তালিকায় শীর্ষে রয়েছে), ভারত (পুল বি-র তালিকায় শীর্ষে রয়েছে)। অস্ট্রেলিয়া (পুল এ - দ্বিতীয় স্থানে) এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (পুল বি - দ্বিতীয় স্থানে) রয়েছে। পাকিস্তান (পুল বি - তৃতীয় স্থানে) এবং শ্রীলঙ্কা (পুল এ তৃতীয় স্থানে)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ (পুল বি - চতুর্থ) এবং বাংলাদেশ (পুল এ - চতুর্থ)।

একইভাবে সেমি ফাইনালের ক্ষেত্রেও ম্যাচ বাতিল বা ড্র-এর পরিস্থিতি এলে একই নিয়ম অবলম্বন করা হবে। কিন্তু ফাইনালে যদি ড্র-এর পরিস্থিতি আসে তাহলে জয়ী দল নির্বাচন করার জন্য সুপার ওভার খেলানো হবে। কিন্তু ফাইনাল ম্যাচ ছাড়া অন্য কোনও পর্যায়ে সুপার ওভারের ব্যবস্থা থাকছে না।



Monday, March 16, 2015

মানজার রানা থাকছেনই!

http://paimages.prothom-alo.com/contents/cache/images/300x0x1/uploads/media/2015/03/16/fb0cf251a531fd4f1fb236ecd095e876-manjarul-Islam-Rana-image.png

মেলবোর্নে বসে কী আজ মানজার রানাকে মনে পড়ছে মাশরাফি বিন মুর্তজার? প্রিয় বন্ধুর মৃত্যু দিনে মাশরাফির তাঁর কথা মনে পড়বে না, এটা মেনে নেওয়া বোধ হয় একটু কষ্টকরই। বিশ্বকাপে পরের ম্যাচটা ভারতের সঙ্গে বলেই হয়তো রানার কথা আজ আরও বেশি করে মনে পড়ছে মাশরাফির। এই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ দলের প্রয়াত অলরাউন্ডারের কী যেন একটা সম্পর্ক আছে! নয়তো তাঁর মৃত্যুর মাসেই কেন বারবার ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ!

‘কী যেন একটা সম্পর্ক...’—এটা কথার কথা! বলতে হয় বলেই বলা। কিন্তু আসল ব্যাপারটা তো ক্রিকেটপ্রেমী মাত্রেরই বুঝে যাওয়ার কথা। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভারতকে হারিয়েছিল রানার দুঃসহ মৃত্যু–সংবাদকে সঙ্গী করেই, তাঁর মৃত্যুর ঠিক দুদিন পরে। ২০১২ সালে এশিয়া কাপে ভারত যেদিন বাংলাদেশের কাছে আবারও হারল, সেই দিনটা ছিল রানার পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। আজ ২০১৫ সালে রানার অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী যখন পার হয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখন বাংলাদেশ অপেক্ষায় আছে আরও একটি ভারত-মহারণের। ভারতের সঙ্গে এটি রানার বিশেষ কোনো যোগ নয়তো কী!

২০০৭ বিশ্বকাপে পোর্ট অব স্পেনে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ই গোটা বাংলাদেশ শিবির বিমূঢ় হয়ে গিয়েছিল দেশ থেকে আসা ভয়াবহ এক দুঃসংবাদে। টিমমেট-বন্ধু মানজারুল ইসলাম রানা প্রাণ হারিয়েছেন এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায়। প্রিয়জন হারানোর বেদনা বুকে চেপে রেখেই পোর্ট অব স্পেনে দল খেলেছিল। আজও বাংলাদেশ দলের অনেকেই মনে করেন এবং অন্তর দিয়েই বিশ্বাস করেন, সেদিন পোর্ট অব স্পেনে প্রতিটি খেলোয়াড়ের ছায়াসঙ্গী হয়ে নাকি মানজার রানা ছিলেন। বিজ্ঞানমনস্করা এই কথায় বিরক্ত হতে পারেন, তা হোন তাঁরা। কিন্তু বিশ্বাস কিংবা আবেগের সঙ্গে তো আর জোর খাটে না। যুক্তিও যে অনেক ক্ষেত্রেই আবেগের কাছে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত।

আজ থেকে আট বছর আগে ঠিক এ দিনেই খুলনার ডুমুরিয়ায় মোটর বাইক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন দেশের হয়ে ২৫টি ওয়ানডে ও ছয়টি টেস্ট খেলা এই ক্রিকেটার। ৪৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচের অভিজ্ঞতা ঝুলিতে নিয়ে মৃত্যুর সময় রানা ছিলেন এদেশের অন্যতম প্রতিশ্রুতিবান ক্রিকেটার। সেদিন ডুমুরিয়ার সড়ক দুর্ঘটনায় রানার সঙ্গে নিহত হয়েছিলেন বাংলাদেশের আরেক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার সাজ্জাতুল হাসান সেতু। খুলনা বিভাগীয় দলের টিমমেটকে সঙ্গে নিয়ে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন রানা প্রিয় খাদ্যের সন্ধানে। কিন্তু তাঁর জীবনপ্রদীপ সেদিন থামিয়ে দিয়েছিল দ্রুতগতির ট্রাক। রানার মনটাও তখন ভালো ছিল না। বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়েছেন। দুদিন বাদেই ব্রায়ান লারার দেশে বাংলাদেশের খেলা। যে দলের ড্রেসিং রুমে ২০০৩ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত কাটিয়েছেন আনন্দময় কিছু সময়। সেই দল, সেই টিমমেটরা ওয়েস্ট ইন্ডিজে, তিনি দেশে বসে খেলছেন প্রথম শ্রেণির ম্যাচ! মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে কি এই কথাগুলোই মনে হচ্ছিল রানার? এত অসাবধান সেদিন কীভাবে হলেন রানা? তিনি তো এমন অসাবধানী কেউ ছিলেন না!

রানার মৃত্যুর ঠিক দুদিন পরই ভারতের সঙ্গে ম্যাচটিতে বুকে পাথর বেঁধে খেলে জয়ী হয়েছিল বাংলাদেশ। রানার বন্ধু মাশরাফি বিন মুর্তজা অনেক জায়গায়ই বলেছেন, ‘কেন যেন মনে হচ্ছিল “রানা” মাঠেই আমাদের সবার সঙ্গে রয়েছে।’ সে দলের অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের মনে পড়ছিল একটি কথাই। দেশ ছাড়ার আগে রানার একটি অনুরোধ, ‘সুমন ভাই, একটা বড় দলকে হারাতেই হবে।’

খেলোয়াড় হিসেবে খুব তথাকথিত ‘গ্ল্যামারাস’ ছিলেন না। বলে-ব্যাটেও অসাধারণ প্রতিভাবান ক্রিকেটার তাঁকে বলা যাবে না। কিন্তু মৃত্যুর পর ওই রানাই যে এমন অসাধারণ হয়ে উঠবেন—এ কথা কেউ কি ভেবেছিল? ২০০৭ বিশ্বকাপের আগে হাবিবুল বাশারকে বলেছিলেন, একটা বড় দলকে হারাতেই হবে। বেঁচে থাকলে এখন হয়তো থাকতেন দলের অন্যতম সিনিয়র খেলোয়াড়। কোয়ার্টার ফাইনালের আগুন লড়াইয়ের আগে তিনি সতীর্থদের কী বলতেন?

মাশরাফি হয়তো আজ মেলবোর্নে বসে কল্পনায় সেই কথাগুলোই সাজিয়ে চলেছেন!

ভারতকে পেলে জ্বলে ওঠেন যাঁরা

ভারতের বিপক্ষে সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান মুশফিক; গত বছর ফতুল্লায় ১১৭ রানের সেই ইনিংস। ছবি: প্রথম আলোভারতের বিপক্ষে সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান মুশফিক; গত বছর ফতুল্লায় ১১৭ রানের সেই ইনিংস। ছবি: প্রথম আলো১৬ মার্চ ২০১২। আজ থেকে ঠিক তিন বছর আগের ঘটনা। স্মৃতিটা সজীব থাকার কথা। অবশ্য ৩ বছর হলেও এমন সুখস্মৃতি ধূসর হওয়ার কথা নয়। সেদিন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে শচীন টেন্ডুলকারের শততম সেঞ্চুরির দিনে বাংলাদেশ দল উপহার দিয়েছিল এক রূপকথার জয়। ২৯০ রান তাড়া করতে নেমে সাকিব-তামিম-মুশফিকদের একেকটা বাউন্ডারি যেন রক্তে নাচন তুলছিল বাংলাদেশি দর্শকদের!
স্মৃতির ভেলায় চড়ে আরেকটু আগে ফিরে যান। ১৭ মার্চ, ২০০৭। বিশ্বকাপে পোর্ট অব স্পেনে ভারতের বিপক্ষে মাশরাফি বিন মুর্তজার তোপে ভারত অলআউট ১৯১ রানে। ব্যাট হাতে তামিমের সেই ডাউন দ্য উইকেটে এসে উড়িয়ে মারা; সঙ্গে মুশফিকের ঠান্ডা মাথায় ফিনিশিং। এল আরেকটি কাব্যিক জয়।
তারও আগে ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৪ সাল। অবশ্য এ তারিখটা বিশ্ব জানে ভিন্ন কারণে। ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামিতে সেবার ক্ষতি হলো বেশুমার। ওই দিন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেও ভারতের কাছে ‘সুনামি’ হয়ে উঠলেন মাশরাফি! ‘অলরাউন্ডার’ মাশরাফির কল্যাণে ভারতের বিপক্ষে প্রথম জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে ২৭ লড়াইয়ে বাংলাদেশের জয়ের ঘটনা এ তিনটিই। প্রথমটি সৌরভ গাঙ্গুলির জমানায়, দ্বিতীয়টি রাহুল দ্রাবিড়ের ভারত আর শেষটি মহেন্দ্র সিং ধোনির বিশ্বজয়ী ভারতের বিপক্ষে। আর এ তিন জয়ের গল্প বলতে গেলে ঘুরেফিরে আসে কয়েকজনের নাম। মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল—ভারতের বিপক্ষে সবচেয়ে সফল বাংলাদেশের চার মূর্তি।
২০০৪ সালের সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ২০০ পেরিয়েছিল মূলত ‘ব্যাটসম্যান মাশরাফি’র কল্যাণে। ৯ নম্বরে নেমে ৩৯ বলে ৩১ রানে ছিলেন অপরাজিত। দল পেয়েছিল ২২৯ রানের পুঁজি। বল হাতে মাশরাফি শূন্য রানেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বীরেন্দর শেবাগকে। সেই বিপর্যয় আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি ভারত। গাঙ্গুলির দল অলআউট ২১৪ রানে। মাশরাফি ৯ ওভার বল করে ৩৬ রানে পেয়েছিলেন ২ উইকেট। এমন অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হিসেবে মাশরাফিকে বেছে নিতে খুব একটা কষ্ট হয়নি বিচারকদের।
২০০৭ বিশ্বকাপে পোর্ট অব স্পেনে মাশরাফি যেন আরও ভয়ংকর। শুরুতেই ভারতের টপ অর্ডার এলোমেলো করে দিলেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’! আবারও মাশরাফির বলে বোল্ড শেবাগ! মাশরাফির সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি দ্রাবিড়ের দল। ধুঁকতে থাকা ইনিংসটা থামে ১৯১ রানে। মাশরাফি ৯.৩ ওভারে ৩৮ রানে পেলেন ৪ উইকেট।
ভারতের দেওয়া ১৯২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দারুণ আক্রমণ শুরু করেন তরুণ তামিম। সেদিন তামিমের ভূমিকা কী ছিল, আত্মজীবনী ‘প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে’ বইয়ে শচীন টেন্ডুলকার লিখেছেন এভাবে, ‘...বাংলাদেশকে ঝোড়ো সূচনা এনে দিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। এতে তারা ৫ উইকেট হাতে রেখে খুব সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে গেল।’ টেন্ডুলকার তামিমের ঝোড়ো সূচনা বা কুইক স্টার্টের কথা বলেছেন ঠিকই। বলেননি, জহির-মুনাফদের কীভাবে ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে উড়িয়ে মেরেছিলেন বাঁহাতি ওপেনার! তামিমের পাশাপাশি মুশফিক ও সাকিবও ফিফটি করে জানান দিয়েছিলেন নিজেদের আগমনী বার্তা। তবে কোনো ব্যাটসম্যান নয়; বল হাতে দুরন্ত মাশরাফিই সেদিন ম্যাচসেরা।
২০১২ এশিয়া কাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে ঘটল স্মরণযোগ্য দুটি ঘটনা। রাজ্যের চাপ ফুঁড়ে টেন্ডুলকার পেলেন শততম সেঞ্চুরি। ভারত করল ২৮৯ রান। এ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৫ রানেই ওপেনার নাজিমউদ্দিন ফিরে যাওয়ার পরও বাংলাদেশ লক্ষ্য পেরিয়েছিল সাবলীলভাবেই। আর সেটা সম্ভব হয়েছিল একসঙ্গে পাঁচ ব্যাটসম্যান জ্বলে ওঠায়। তামিমের ব্যাট থেকে এল ৭০ রানের সময়োপযোগী ইনিংস। ফিফটি পেলেন জহুরুল ইসলাম, নাসির হোসেনও। ফিফটি না পেলেও ম্যাচের নাটাই নিজেদের হাতে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেন মুশফিক-সাকিব। মুশফিক অপরাজিত ছিলেন ২৫ বলে ৪৬ রানে আর সাকিব ফেরেন ৩১ বলে ৪৯ রান করে। টেন্ডুলকারের রেকর্ড সেঞ্চুরির আনন্দ ম্লান হয়ে গেল বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়ে।
ভারতের বিপক্ষে বল হাতে দুরন্ত মাশরাফি! ফাইল ছবিভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সেঞ্চুরি খুব একটা সহজলভ্য নয়। এ পর্যন্ত সেঞ্চুরি পেয়েছেন মাত্র দুজন। ২০০৮ সালের জুনে করাচিতে এশিয়া কাপে অলক কাপালি করেছিলেন ১১৫ রান। গত বছর ফতুল্লায় এশিয়া কাপেই অলককে ছাড়িয়ে যান মুশফিক, করেন ১১৭ রান। ভারতের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ রান। অন্যদিকে ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন বাংলাদেশের মাত্র একজন বোলার। সেই কৃতিত্ব তাসকিন আহমেদের। গত বছর জুনে নিজের অভিষেকেই তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন এ তরুণ পেসার। তাসকিনের তোপে ভারত গুটিয়ে গিয়েছিল মাত্র ১০৫ রানে। অবশ্য মামুলি এ লক্ষ্যটা পেরোতে পারেনি বাংলাদেশ। জিততে পারেনি কাপালি-মুশফিকর সেঞ্চুরির দিনেও।
যে তিনটি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ, তা দলীয় প্রচেষ্টায়। নিয়ম মেনে ম্যাচের মূল নায়ক হিসেবে একজনকে বেছে নিতে হয়েছে। কিন্তু সে সব ম্যাচের পার্শ্বনায়ক ছিলেন অনেকেই। ‘অনেকে’ বলতে ঘুরেফিরে ওই চার-পাঁচজনই।
এবার কী হবে? ১৯ মার্চ মেলবোর্নে পুরোনো নায়কেরাই জ্বলে উঠবেন, নাকি বাংলাদেশ দেখবে নতুন নায়কের বী

এবার ভারতের ‘মওকা মওকা’ ভিডিও'র শক্ত জবাব দিলেন বাংলাদেশের তরুণেরা (ভিডিও)

এবার ভারতের ‘মওকা মওকা’ ভিডিও'র শক্ত জবাব দিলেন বাংলাদেশের তরুণেরা (ভিডিও)
--
বাংলাদেশকে অবজ্ঞা করে বানানো ভারতীয় ‘মওকা মওকা’ ভিডিওর জবাব দিয়েছে বাংলাদেশের কিছু তরুণ। তারা পাল্টা আরেকটি ভিডিও বানিয়ে তা ইউটিউব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। আর এই ভিডিওটি এরই মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।
ভিডিওতে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের কাছে ভারতের দলের হারের দৃশ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ও ২০১২ সালের -----
... See More
Like · · ·

Sunday, March 15, 2015

মেসির জোড়া গোলে শীর্ষে বার্সা

শনিবার রাতে জোড়া গোল পেলেন লিওনেল মেসি ছবি: এএফপিমেসির জোড়া গোলে আবারও লা লিগার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। এইবারকে ২-০ গোলে হারিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে নিজেদের ব্যবধানও বাড়িয়ে তুলেছে বার্সা। ‘ব্লাঙ্কোস’দের চেয়ে এই মুহূর্তে চার পয়েন্টে এগিয়ে আছেন লুইস এনরিকের শিষ্যরা।

সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা বার্সাকে শনিবার রাতে কিছুটা এলোমেলো মনে হলেও শেষ হাসিটা কিন্তু দারুণভাবেই হেসেছে তারা।

ম্যাচের ৩১ মিনিটেই মেসির পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। নিজেদের বক্সের মধ্যে এইবার ডিফেন্ডার বোরহা একিসা হাত দিয়ে বল ঠেকালে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি মেসির বুকের ধুকপুকানি বাড়ালেও তা কার্যকর করতে এতটুকু ভুল করেননি তিনি। প্রথমার্ধের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে নিশ্চিত একটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেন লুইস সুয়ারেজ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নেইমার নষ্ট করেন সহজ সুযোগ। ১০ মিনিটে মেসিকে অবশ্য আর ঠেকাতে পারেনি এইবার। ইভান রাকিতিচের কর্নার থেকে নিচু হয়ে হেড করে দলকে এগিয়ে দেন ২-০ গোলে। লা লিগার এবারের আসরে এটি মেসির ৩২তম গোল। ৩০ গোল করে এই তালিকায় মেসির ঠিক পরেই আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

লা লিগায় বার্সেলোনার পরের ম্যাচটিই ‘এল ক্লাসিকো।’ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়ালের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে পয়েন্ট টেবিলের ব্যবধান মেসিদের যে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কোচ এনরিকের স্বস্তির জায়গাও ঠিক এটাই। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এল ক্লাসিকোয় মাঠে নামব দারুণ অবস্থায়, এগিয়ে থেকে। কিন্তু এগিয়ে থাকাই কিন্তু সবকিছু নয়। আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে।’ সূত্র: এএফপি।

এইটুকুতেই ঘেমে গেলেন ধোনি!

অনলাইন ডেস্ক | আপডেট:


সংবাদ সম্মেলনে ধোনি। এএফপিবিশ্বকাপের মতো বড় একটি টুর্নামেন্ট। আয়োজক দুটি প্রতিবেশী দেশ। তবে প্রতিবেশী হলেও তাদের মাঝে তাসমান সাগরের ব্যবধান। অংশগ্রহণকারী প্রায় প্রতিটি দলকেই খেলতে হয়েছে দুটো দেশ ঘুরে ঘুরে। তবে এর মধ্যে ব্যতিক্রম ছিল স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। আয়োজক হিসেবে কিছু বাড়তি সুবিধা তো তারা পেতেই পারে। কিন্তু স্বাগতিক না হয়েও স্বাগতিকদের মতোই সুবিধা পেয়ে এসেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তবুও নাকি সন্তুষ্ট নন ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সফরসূচি নিয়ে তাঁর এন্তার অভিযোগ।
স্বাগতিক হিসেবে নিউজিল্যান্ড সবগুলো ম্যাচই খেলেছে নিজেদের মাঠে। ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে অপর আয়োজক অস্ট্রেলিয়াকেও। একটা ম্যাচ তারা খেলেছে নিউজিল্যান্ডে উড়ে এসে। ওড়াওড়ির ঝক্কি আর ভ্রমণক্লান্তি ভুগিয়েছে অন্য অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকেও। কিছু ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ায়, তারপরই উড়াল দিতে হয়েছে নিউজিল্যান্ডে। সেখানে এক-দুটি ম্যাচ খেলে আবার আসতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। অথবা কিছু ম্যাচ নিউজিল্যান্ডে, তারপর উড়াল অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে খেলে আবার নিউজিল্যান্ডে।
টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে গ্রুপ পর্বে ভারত একমাত্র দল হিসেবে পেয়েছে একই ভেন্যুতে পর পর দুটো ম্যাচ খেলার সুযোগ। সেই ম্যাচ দুটো হয়েছিল পার্থে। সে সময় টানা ১৩ দিন তারা পার্থে থাকার সুযোগ পায়। একই ভেন্যুতে টানা দুটো ম্যাচ খেললে কিছু বাড়তি সুযোগও পাওয়া যায়। মাঠের কন্ডিশন, আবহাওয়া সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা হয়ে যায়। বাড়তি বিশ্রামের সুযোগ তো আছেই। আরও একটি সুবিধা পেয়েছেন ধোনি-কোহলিরা। তাঁরা মাত্র একবার দেশ পরিবর্তন করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টানা চারটি ম্যাচ খেলে গ্রুপপর্বের শেষ দুটি ম্যাচ তাঁরা খেলেছেন নিউজিল্যান্ডে। যেখানে বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়েকে দুবার করে যাওয়া-আসা করতে হয়েছে।
কিন্তু তার পরও নাখোশ ধোনি। সফরসূচি নিয়ে জানিয়েছেন একগাদা অসন্তোষ। তাঁর খেলোয়াড়েরা বিশ্রামের জন্য যথেষ্ট সময় পাচ্ছেন না বলে জানান তিনি। পার্থ থেকে ভারতীয় দল নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে এসে পৌঁছায় ৭ মার্চ মধ্যরাতে। সেখান থেকে প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের বাসযাত্রার পর তারা এসে পৌঁছায় হ্যামিল্টনে। সময়-পার্থক্য এবং যাত্রার ধকলে নাকি ঠিকমতো ঘুমোতেই পারেননি দলের খেলোয়াড়েরা। হ্যামিল্টন থেকে অকল্যান্ড ফেরার পথেও আবার তাঁদের বাসে করে যাওয়ার ঝক্কি পোহাতে হয়। এ নিয়ে নাকি বিরক্ত অনেক খেলোয়াড়। আসলে যেটা হয়েছে, অকল্যান্ড থেকে হ্যামিল্টনের কোনো ভালো বিমান নেই। যা আছে সবই ছোট ছোট ১০ আসনের বিমান। যা ভারতের ৩৩ জনের বিশাল বহর বহনের উপযোগী নয়। এ জন্যই সেখানে বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শুধু ভারতই নয়, হ্যামিল্টনে খেলা প্রতিটি দলকেই একই পন্থায় যাতায়াত করতে হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ শুধু ভারতের কণ্ঠে।
শনিবার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে আরও একটি দাবির কথা তুলেছেন অধিনায়ক ধোনি। সফরক্লান্তি কাটাতে দলের সব খেলোয়াড়ের জন্য আরামদায়ক ‘বিজনেস’ ক্লাসের বিমান টিকিট চান তিনি। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সব দলের দেখভালের দায়িত্ব আইসিসির। সাধারণত সফরকারী দল চারটি বিজনেস ক্লাসের টিকিট পায়। যেগুলো ব্যবহার করেন দলের অধিনায়ক, প্রধান কোচ, ম্যানেজার এবং দলের পরিচালক। অন্য খেলোয়াড়েরা ভ্রমণ করেন ‘ইকোনমি’ বা সাধারণ ক্লাসে। সবাই এভাবেই এত দিন ধরে খেলে আসছেন। কিন্তু একমাত্র ধোনিই দাবি তুললেন দলের সবার জন্যই বিজনেস ক্লাস টিকিটের। ভারতীয় পত্রিকা এবেলা থেকে জানা গেল, আইসিসি প্রথা ভেঙে ভারতের সব খেলোয়াড়কেই ‘বিজনেস’ ক্লাসে করে মেলবোর্নে উড়িয়ে আনতে পারে ।
এই সুযোগ কি শুধু ভারতের জন্য? তাহলে বাকি দলগুলোর অপরাধ কী? প্রশ্নগুলোর উত্তর আপাতত মিলছে না!

ওপেনিং নিয়ে অস্বস্তি থাকছেই

ওপেনিং নিয়ে অস্বস্তি থাকছেই

রানা আব্বাস | আপডেট:
এমসিজিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কোনো রান না করেই বোল্ড হয়ে গেলেন তামিম। ছবি: শামসুল হকটাইম মেশিনে এক মাস আগে ফিরে গেলে কী দেখবেন? চারটি প্রস্তুতি ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ; সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। অথচ ......
সেই দলটা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল মূল মঞ্চে এসে। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখার এ আনন্দক্ষণেও দলের পুরোনো রোগটি নিয়ে খচখচানি থেকেই যাচ্ছে—উদ্বোধনী জুটিটা কেন দাঁড়াচ্ছে না?
প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই ‘এক-দুই উইকেট নেই’ ধরে নিয়ে এগোতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। পরিসংখ্যানটা দেখুন, একমাত্র আফগানিস্তান ম্যাচ বাদে সবগুলো ম্যাচেই
Powered by Blogger.